16 C
Kolkata
Friday, January 22, 2021
Home খবর সরকারের নির্দেশের ১৭ দিন পরেও দাম কমল না কেন?

সরকারের নির্দেশের ১৭ দিন পরেও দাম কমল না কেন?

রাজ্য সরকার আলুর দাম ঠিক করার পরে ১৭ দিন কেটে গেলেও বাজারে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সরকার, ব্যবসায়ী সমিতি এবং সরকারি টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের মধ্যে বোঝাপড়ায় ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি। আলুর দাম না-কমার কারণ সম্পর্কে রাজ্য টাস্ক ফোর্সের সদস্যরাও কার্যত হিমশিম খাচ্ছে। দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে কৃষক এবং হিমঘর-মালিকদের বোঝাতে হবে সরকারকেই। অথচ সোমবার সরকারি ভাবে এ ব্যাপারে নবান্ন থেকে কোন সাড়া পাওয়াই যায়নি। ফলে আলু কিনতে নাজেহাল হচ্ছেন রাজ্যবাসি।

গত ২৪ জুলাই পাইকারি বাজারে আলুর দাম ২২ টাকা প্রতি কিলোগ্রাম বেঁধে দিয়েছিল সরকার।পাইকারিতে ২২ টাকায় আলু বিক্রি হলে তবেই খুচরো বাজারে তা ২৫ টাকায় মিলবে। কিন্তু এখনও পাইকারি বাজারে গড়ে ২৬ থেকে ২৯ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। তার জন্যই খুচরো বিক্রেতা বাজারে আলুর দাম কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৩২ টাকা দামে বিক্রি করছে। গত শুক্রবারও আলু ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করে চলতি সপ্তাহে আলুর দাম কেজি প্রতি ২৫ টাকায় নামাতে বলা হয়েছে প্রশাসনিক থেকে। প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের নির্দেশের ১৭ দিন পরেও দাম কমল না কেন?

সরকারি সূত্রের দাবি, সুফল বাংলার স্টল থেকে ২৪ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। টাস্ক ফোর্স এবং এনফোর্সমেন্ট বিভাগ বাজারে-বাজারে ঘুরে দাম কমানোর চেষ্টা করছেন। তবে টাস্ক ফোর্সের এক সদস্যের বলেন, “সরকারি বৈঠকে আমাদের ডাকা হয়নি। ফলে কী হচ্ছে, তা আমাদের বলা সম্ভব নয়।

রাজ্যের আলু ব্যবসায়ী সমিতির প্রধান নেতা বরেন মণ্ডলের দাবি, “কলকাতা ছাড়া সর্বত্র আলুর পাইকারি দাম কমিয়ে দিয়েছে। আরও দাম কমাতে হবে তাই বৈঠক ডাকা হয়েছে।বরেনবাবু দাবি করলেও বাজারে আলুর দাম কমেনি। সোমবার হুগলিতে খুচরো বাজারে জ্যোতি আলু বিক্রি হয়েছে ২৮ টাকা কেজি প্রতি। চন্দ্রমুখী আলু ৩২ টাকা। বর্ধমান ও বীরভূমেও একই দাম। পূর্ব মেদিনীপুরেও আলুর দাম ৩০ থেকে ৩২ টাকা । বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতেও একই অবস্থা। উত্তরবঙ্গের মালদহ থেকে কোচবিহার, ২৬ থেকে ৩৫ টাকা দামে আলু কিনতে হচ্ছে মানুষকে।  

Most Popular

TODAY'S TOP NEWS