16 C
Kolkata
Friday, January 22, 2021
Home খবর লকডাউনে অঙ্কুশের বাড়িতে আটকে ঐন্দ্রিলা,লুডো খেলে দিন কাটছে

লকডাউনে অঙ্কুশের বাড়িতে আটকে ঐন্দ্রিলা,লুডো খেলে দিন কাটছে

প্রায় দুই মাস হয়ে গেল ইন্দ্রিলা সেন অঙ্কুশের বাড়িতে এসে আটকে রয়েছে। যেদিন লকডাউন চালু হয়েছিল সেদিন অভিনেত্রী অঙ্কশের বাড়িতে এসেছিলেন। তার পর থেকে তিনি বাড়ি ফিরতে পারছেন না। তবুও উল্লেখ করা যেতে পারে কিছুটা হয়ত সুবিধা হয়েছে।লকডাউনের কারনে তারা সম্মিলিতভাবে সময় ব্যয় করতে সক্ষম হয়েছে।অঙ্কশ বলেন “এখন আমরা দুই জন দুজনকে আরাও ভালো জানতে পেরেছি”।

তবুও,ইন্দ্রিলা বলেন, “আমাদের দুজনের কোনওভাবেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল না এই কয়েকদিনে। সম্মিলিতভাবে ঘুরে বেড়াতে, আড্ডা মারতে, পরিবারের সাথে সময় কাটাতে ভালোবাসি। আমি কয়েকদিন সেটাই করেছি। মা এবং আমি এখানেই এসে আটকে পড়েছি। আমি চলে যাব তবে কাকু-কাকিমা ( অঙ্কশের মা ও বাবা) তাকে কোনওভাবেই যেতে দিলেন না।আসলে এই অবাস্থায় কেউ একা ছাড়তে চায় না। এখানে বেশ কয়েকদিন ধরে আটকে রয়েছি কিছুটা অস্বস্তিকর। আমাদের বাড়ীটা অনেক দিন বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। আমার কাছে এখন পর্যন্ত পোশাক নেই সেগুলো  কেচে ঘুরিয়েফিরিয়ে পরেছি। “

আর কীভাবে সময় কাটাচ্ছী ।সাধারণত তিনি ঘরের কাজগুলি করছেন, আর রান্নাঘরে অল্প কাজ করে তার সময় ব্যয় করেন। মার্চ শেষে ইউরোপ সফরে যাওয়ার কথা ছিল এই দু’জনের।দূরে সফরে না গেলেও কমপক্ষে তারা সম্মিলিতভাবে অনেক সময় কাটাতে পেরেছে এটাই ভালো। প্রত্যেকেই ওয়েব সিরিজ়ের ভক্ত। তাই ওয়েব সিরিজ় দেখার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছে । তিনি উল্লেখ করেছিলেন। মানি হাইস্ট’, ‘ক্রিমিনাল জাস্টিস’, ‘অসুর’ … এগুলি সবই দেখা গেছে। যেহেতু আমার পোষা প্রাণীটি এখানে আছে তাই আমি আমাদের পোষা প্রাণীর সাথে প্রচুর সময় ব্যয় করছি। বিকেলের সময় আমি পোষা প্রাণীটির সাথে বিকেলে বাড়ীর সামনে ঘুরতে যেতাম।এর পর রান্নার টুকিটাকি কাজ করে দিতাম মায়ের সাথে। এর মধ্যে ইন্দ্রিলা প্রায় 5 বা 6কেক  তৈরি করেছেন। অভিনেত্রী উল্লেখ করেছিলেন, ” অঙ্কুশ ডিম খেতে পছন্দ করেন, তাই ডিম ঘরে সব সময় থাকে থাকে। এবং যেহেতু আমরা প্রত্যেকে চকোলেট খাই তাই হাতের কাছে কেক তৈরির উপাদানগুলি পেয়েগেছি। তাই আমি কেক তৈরি করছি। এক দিন এগ হোয়াইট বিট করে ওয়াটার পোচ করে একটা রান্না করেছিলাম। এটিকে অনেক বেশি পছন্দ করেছেন। এবং নাচ হত খুব। তিনি যখন নাচেন,আমি ভিডিও করতাম এবং আমি নাচলে সে ভিডিও করতো।

তা সত্ত্বেও,আমরা প্রত্যেকে পরিবারের সাথে ছিলাম। রাতে বাড়ির সবাই লুডু নিয়ে বসে পড়তাম। অঙ্কুশ বলেন, ” এই লুডো খেলাটি অনেক সহায়তা করেছে। ইন্দ্রিলা ও তার মা সঙ্গে সংযোগ অনেক সহজ হয়ে উঠেছে। আমি খুব লাজুক। আমি ইন্দ্রিলার মতো সহজে একত্রিত হতে পারি না। সব সময় আমি নিজেকে গুটিয়ে রাখতাম । আমি কিছুটা আবৃত হতে পেরেছি । আমি কাকিমার সাথে খুব বেশি কথা বলতাম না এখন সব ঠিক হয়ে গেছে।

Most Popular

TODAY'S TOP NEWS